Hotline:
+88 09678 66 11 22
বর্তমান পরিস্থিতির কারণে আমরা যে সমস্ত এলাকায় হোম ডেলিভারি সার্ভিস চালু রেখেছি, প্রতি শনিবার ও মঙ্গরবার গুলশান, নীকেতন, বসুন্ধরা, মহাখালি বনানীতে ও উত্তরাতে। প্রতি সোমবার ও বুধবার ফামগেট, বাংলামটর, শাহবাগ, কাটাবন, নীলক্ষেত, নিউমার্কেট, ও প্রান্থপথে। প্রতিদিন ধানমন্ডি, মোহাম্মাদপুর ও আগারগায়ে এবং রবি ও বৃহস্পতিবার মিরপুর, কল্যাণপুর ও গাবতীলতে ডেলিভারী দেয়া হচ্ছে।

Coconut Oil-Edible(নারকেল তেল-খাবার )

৳ 200.00 100 ml

নারিকেল তেল খাওয়া কি স্বাস্থ্যকর?

চুলের পুষ্টির জন্যই মূলত নারিকেল তেল ব্যবহার করে থাকি আমরা। দক্ষিণ ভারতীয়রা কিন্তু নারিকেল তেলেই সারেন তাদের সব রান্না। আজকাল অনেকেই নারিকেল তেলকে বলছেন ভোজ্য তেলের স্বাস্থ্যকর বিকল্প। কিন্তু কথা হলো, বাস্তবেই নারিকেল তেল কতটা উপকারী?

নারিকেল তেলের আদ্যোপান্ত

বাজারে যেসব নারিকেল তেল পাওয়া যায়, সেগুলো মূলত চুল কিংবা রূপচর্চার ব্যবহারেই উপযোগী। এছাড়া খোলা বাজারে এক ধরনের তেল বিক্রি হয়, যাকে বলে ঘানি ভাঙা নারিকেল তেল, এই তেল খাবার কিংবা অন্যান্য কাজেও ব্যবহার করছেন এখন অনেকে। সাম্প্রতিক সময় অনেকে দাবী করছেন, নারিকেল তেলে থাকা স্নেহজাতীয় উপাদান স্বাস্থ্যকর, যা নিয়মিত খেলে উপকার পাওয়া যায়।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন কোনো প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে এটি স্নেহজাতীয় খাবার হওয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দৈনিক খাবারের তালিকায় নারিকেল তেল না রাখাই ভাল।

“নারকেল তেল খেলে ওজন কমে”

নারিকেল তেলের ভক্তরা অনেকেই দাবী করেন, এতে আছে লরিক অ্যাসিড নামের এক বিশেষ ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড, যা খুবই ‘স্বাস্থ্যকর’। এটি খেলে খুব দ্রুত ওজন কমানো সম্ভব।

কিন্তু বিশেষজ্ঞদের কণ্ঠে শোনা যাচ্ছে ভিন্ন সুর। তাদের মতে, ফ্যাট ফ্যাটই। স্নেহজাতীয় খাবার ভারী হওয়ায় অল্প খেলেই পেট ভরে গেছে বলে মনে হয়। এদিক থেকে নারিকেলের ফ্যাট আরো ঘন। অর্থাৎ নারিকেল তেলে রান্না করা খাবার আরো ভারী মনে হতে পারে। তবে এটি খেয়ে ওজন কমবে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

“নারিকেল তেল হজমের জন্য ভালো”

এমনও বলা হয়, নারিকেল তেল খেলে হজমে সুবিধা হয়। পেট ফাঁপাসহ হজমের নানা সমস্যার প্রতিকার করে নারিকেল তেল।

কিন্তু এ দাবীও মানতে নারাজ বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, নারিকেল তেল স্যাটুরেটেড ফ্যাট হওয়ায় স্নেহজাতীয় পদার্থের অন্যান্য উৎসের চেয়ে একটু ভিন্নভাবে কাজ করতে পারে, তবে হজমে উপকারের কোনো নজির পাওয়া যায়নি।

“নারিকেল তেল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়”

বলা হয় নারকেল তেলের স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরকে লড়তে সাহায্য করে।

ত্বকের যত্নে নানা ধরনের প্রসাধনী, যেমন সাবান, লোশন, ক্রিমে ব্যবহার করা হয় নারকেল তেল। সেই দিক থেকে দেখলে চামড়ায় নারিকেল তেল লাগানো যেতেই পারে, তবে দেহের ভেতর থেকে এটি রোগ প্রতিরোধ করতে পারে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত নন বিশেষজ্ঞরা।

“নারিকেল তেলে উচ্চ তাপে রান্না করা যায়”

দক্ষিণ ভারতীয় রান্নায় নারিকেল তেলের ব্যবহার হচ্ছে শত শত বছর ধরে। ইদানীং আমাদের দেশেও স্বাস্থ্যসচেতন কেউ কেউ রান্নায় নারিকেল তেল ব্যবহার করছেন। কারণ অনেকের ধারণা, উচ্চ তাপমাত্রায় রান্না করলেও নারকেল তেল কখনও পুড়ে যায় না, এছাড়া খাবারের নানা বিষাক্ত উপাদানও বের করে ফেলে।

এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, সাধারণত বাড়ির রান্নাঘরে এতোটা উচ্চ তাপমাত্রায় রান্না হয় না। রেস্তোরাঁয় ডুবো তেলে কিছু ভাজার সময় মাঝে মাঝে উচ্চ তাপ ব্যবহার করা হয়। সাধারণভাবে, হালকা অলিভ অয়েলের মতোই রান্নায় কাজ করে নারিকেল তেল।

ফলাফল

নারিকেল তেলের বিভিন্ন ধরনের ব্যবহার হয়ে আসছে অনেক বছর ধরেই। তবে স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তিদের কতখানি উপকারে আসতে পারে এই তেল, তা নিয়ে এখনও জোরালো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোর ক্ষেত্রে অলিভ অয়েল এবং মাছের তেলের নামডাক শোনা যায় সব সময়, বৈজ্ঞানিকভাবেও এই ধারণা প্রমাণিত হয়েছে। তবে একই কথা বলা যাচ্ছে না নারিকেল তেলের বেলায়।

অবশ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুষম খাবারের তালিকায় যদি মাঝে মধ্যে রাখা হয় কিছুটা নারিকেল তেল, তাহলে তা ঝুঁকিপূর্ণ নাও হতে পারে।

Product Code: GHEO5011 Categories: , ,

Description

নারিকেল তেলের যত গুণ !

নারিকেল তেল খুব পরিচিত একটি তেল। এটি দু’ভাবে ব্যবহার করা হয়। যেটি রিফাইন্ড হয়ে আসে, সেটি বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য। আর যেটি আনরিফাইন্ড বা ভার্জিন তেল হিসেবে থাকে সেটি খাবার তেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আমাদের দেশে সাধারণত বাহ্যিকভাবে ব্যবহৃত হয় নারিকেল তেল মানে যেটি রিফাইন্ড হয়ে আসে। তবে বাহ্যিকভাবে আনরিফাইন্ড বা ভার্জিন তেলের ব্যবহার ইদানিং বেশ লক্ষ করা যাচ্ছে। চলুন আজকে জেনে নিই এই নারিকেল তেলের বেশ কিছু গুণ।

(১) ড্যামেজ চুল রিপেয়ার করতে এর জুড়ি নেই। এটি ন্যাচারাল কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে।

(২) ত্বকে এটি বেসিক লোশন হিসেবে কাজ করে।

(৩) চোখের মেক-আপ তুলতে এটি ব্যবহার করা যায়। একটি তুলোয় তেল নিয়ে চোখের মেক-আপ ঘষে তোলা যায় ।

(৪) ত্বকের যেসব জায়গায় দাগ, সেসব জায়গায় নারিকেল তেল নিয়মিত ঘষলে দাগটি হালকা হয়ে যায়।

(৫) প্রাকৃতিক ডিওডোরেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

উপকরণ:

– ৬ কাপ নারিকেল তেল

– ১/৪ কাপ বেকিং সোডা

– ১/৪ কাপ অ্যারারুট

পদ্ধতি:

বেকিং সোডা ও অ্যারারুট মিশিয়ে নিন একটি মিডিয়াম পাত্রে। এর মাঝে নারিকেল তেল একটি চামচ দিয়ে মিশিয়ে নিন। এরপর একটি কাঁচের জারে বা পুরোনো ডিওডোরেন্ট কন্টেইনারে রেখে ব্যবহার করতে পারেন।

(৬) গর্ভাবস্থায় পেটের চামড়া ফেটে গিয়ে দাগ হয়। এসময় নিয়মিত নারিকেল তেল পেটে মালিশ করলে এই দাগগুলো হালকা হয়ে যায়।

(৭) এটির ন্যাচারাল সান প্রটেক্টর হিসেবে কাজ করার ক্ষমতা আছে।এর SPF 4 , তাই সানস্ক্রিন হিসেবেও কাজ করে।

(৮) যৌনাঙ্গে ঈস্ট বা ঈস্ট ইনফেকশন হলে ওই জায়গায় বাহ্যিকভাবে নারিকেল তেল লাগালে উপকার পাওয়া যায়। নারিকেল তেল ঈস্টকে ধ্বংস করে।

(৯) ম্যাসেজ তেল হিসেবে নারিকেল তেল খুবই জনপ্রিয়।

(১০) চুলের ফ্রিজি ভাব কমায় নারিকেল তেল।

(১১) রাত্রিকালীন ফেশিয়াল ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

(১২) গোসলের আগে সমপরিমাণ নারিকেল তেল ও চিনি মিশিয়ে শরীরে ঘষা যায়। এটি একটি স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে শীতকালে এটি খুবই উপকার করে ।

(১৩) কোন স্থান হালকা পুড়ে গেলে তাতে অনেকক্ষণ পানি দিয়ে ধুয়ে নারিকেল তেল লাগালে জ্বালা পোড়া কম হয়।

(১৪) সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে যোনিতে হালকা ছিলে গেলে, সেখানে নারিকেল তেল বাইরের দিকে লাগালে তাড়াতাড়ি সেরে যায়।

(১৫) পায়ে ফাংগাস ঘটিত কোন ঘাঁ হলে, সেখানে নারিকেল তেল দিলে তা ফাংগাসের মোকাবেলা করে।

(১৬) স্কিনের অসুখ যেমন psoriasis or eczema-তে ব্যবহার করা যায়।

(১৭) প্রাকৃতিকভাবে উকুন দূর করতে ব্যবহার করা যায়। এজন্য যা লাগবে তা হল , আপেল সিডর ভিনেগার ও নারিকেল তেল। প্রথমে ভিনেগার পুরো মাথায় ঢেলে মাথাটি ভিজিয়ে নিতে হবে। কিন্তু এরপর ধোয়া যাবেনা। রেখে দিন যতক্ষণ ভিনেগার না শুকায়। এরপর শুকালে নারিকেল তেল লাগিয়ে শাওয়ার ক্যাপ বা একটি পাতলা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মাথা মুড়ে রাখুন। কয়েক ঘন্টা পর একটি চিকন চিরুনী দিয়ে মাথা আঁচড়ান। যতটা পারেন। এতে করে উকুন ও ডিম বের হয়ে আসবে। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

(১৮) নাকে অ্যালার্জি ঘটিত কোন সমস্যা দেখা দিলে এই তেল নাকের ভেতরে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

(১৯) ন্যাচারাল পারসোনাল লুব্রিকেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যায় এটি এবং এটি নরমাল ভ্যাজাইনাল ফ্লোরাকে ডিস্টার্ব করেনা, তাই ব্যবহার করা সেফ।

(২০) ন্যাচারাল অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল স্কিন ক্রিম হিসেবে এটি ব্যবহার করা যায়।

(২১) ন্যাচারাল সেভিং ক্রিম এবং আফটার সেভিং ক্রিম হিসেবেও এটি ব্যবহার করা যায় বিশেষ করে প্রাইভেট পার্টে।

(২২) শিশুদের শরীর মালিশের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।

(২৩) থালাবাসন মাজার পর একটু নারিকেল তেল হাতে নিয়ে ঘষলে হাত খসখসে হয় না। হাতের তালু নরম হয়।

(২৪) নিয়মিত মাথায় ম্যাসেজ করলে চুলের গ্রোথ ভালো হয়।

(২৫) লবনের সাথে নারিকেল তেল মিশিয়ে পা ঘষলে পায়ের মরা কোষগুলো দূর হয়।

(২৬) বেকিং সোডার সাথে মিশিয়ে দাঁত হোয়াইটেনিং টুথপেস্ট তৈরী করা যায়।

(২৭) শিশুদের গোসলের আগে তুলোয় নারিকেল তেল ভিজিয়ে কানে দিলে পানি ঢুকেনা ফলে কানের ইনফেকশন দূর করা যায়।

(২৮) নখের কিউটিকলে লাগালে নখের গ্রোথ ভালো হয়।

(২৯) যাদের হাতের কনুই খসখসে ও শুকনো, তারা এই তেল কনুই-এ ঘষলে উপকার পাবেন।

(৩০) চোখের নিচের ডার্ক সার্কেল দূর করতে একটি ছোট কন্টেইনারে নারিকেল তেল নিয়ে তাতে ৩টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে নিয়ে ফ্রীজে রেখে দিয়ে জমিয়ে প্রতিদিন রাতে শোবার আগে চোখের নীচে লাগালে দাগ দূর হয়ে যায়।

এছাড়াও খাওয়ার জন্য যে নারিকেল তেল পাওয়া যায় তার-ও অনেক গুণ আছে, নারিকেল তেলে রান্না খাবার খুব সহজে ডাইজেস্ট হয়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শরীরের ক্ষত তাড়াতাড়ি সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। দুশ্চিন্তা ও মানসিক ব্যাধি দূর করে।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “Coconut Oil-Edible(নারকেল তেল-খাবার )”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Subscribe our Newsletter Get news about latest products & Offer


Copyright © 2019 Organic Online BD All rights reserved

FORGOT PASSWORD ?
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.
0